VideoBar

This content is not yet available over encrypted connections.

Wednesday, May 23, 2018

আজ রাতে কোনো রুপকথা নেই...


সকালে ঘুম ভাঙতো আন্টির ফোনে।
-মুবিন, উঠছো? সকাল ১০টা বাজে।
- জ্বী আন্টি। উঠলাম মাত্র।
- উঠে পরো বাবা.. তুমি না আসলে ও পড়তে বসবে না।
'জ্বী আন্টি..  বলে টানা আধ-ঘণ্টার একটা ঘুম। তারপর তারাহুড়া করে সোজা খালিশপুরের দিকে রওনা।
রোজার মাসে খুব ফাঁকিবাজি করতো ওরা। পড়তেই চাইতো না। আজগুবি সব গল্প শোনাতো । কখনও হরর মুভির গল্প, কখনও তেঁতুল গাছের ভূতের গল্প..

ইফতারিটা করতাম বাইরে। তারপর খানিকটা পড়াশুনা। এরপর তারাবী শেষে ল্যাব রিপোর্ট লিখা বা টানা দুইটা মুভি। সেহরি খাওয়ার আগে ওহাবের রুমে নক। প্রাণখুলে কিছুক্ষণ গল্প। তারপর ওর সাথে ফুলাবাড়ীগেটের মোড়ের হোটেলে দলবেঁধে খেতে যাওয়া।

ফজরের নামাজ শেষে হলের পাঁচতলার বারান্দা থেকে আকাশের তারা দেখতে দাঁড়াতাম আমি। ভোরের তারা আর ল্যাম্পের আবছা আলোয় অদ্ভুত রকমের সুন্দর লাগতো সবুজ ঘাসগুলোকে। প্রায়ই মনে হতো- I am living in my dream.. মাঝেমধ্যে মনে হতো সময়টাকে এখানেই থামিয়ে রাখলে মন্দ হতো না..
আমার ধারণাটা ভুল ছিলো। সময় ভয়ংকর রকমের নিষ্ঠুর। সময় কখনো কারও জন্য থেমে থাকে না।

এখন আর কেউ ভূতের গল্প শোনায় না... এখন আর কেউ ফোন দিয়ে ডেকে দেয় না..


Friday, March 16, 2018

দয়াল বাবার দরবারে।......


আমি এখন দয়াল বাবার দরবারে। বাবাকে কদমবুচি করে বললাম, “বাবা, দীর্ঘদিন আমার লাইফের কোনো উন্নতি হচ্ছে না... তাবিজ দাও।”

বাবা মাথায় হাত বুলিয়ে দিলো। হাতে একটা গোল তাবিজ দিয়ে দিলো। আমি বাবাকে কদমবুচি করে দরবার থেকে বের হলাম। হাতে কিছু টাকা গুজে দিলাম।

চুপিচুপি তাবিজটা খুলে ভাবলাম পড়ে দেখি। কিছু হবে না। রেশমি কাপড়ে পেঁচানো হরিণের চামড়া। তার মধ্যে সিংহের রক্ত দিয়ে বড় বড় অক্ষরে লিখা- “ফেইসবুক চালাবি না!”

আতঙ্কে স্বপ্নটা ভেঙ্গে গেল। ফেইসবুকে লগইন করে দেখি- আইডি হ্যাকড।

মুবিন
কাদিরাবাদ সেনানিবাস
১৬-০৩-২০১৮

এসো পিরামিড বানাই, ইট-বালু-সিমেন্ট ছাড়াই... (সি প্রোগ্রামিং)


“এসো পিরামিড বানাই, ইট-বালু-সিমেন্ট ছাড়াই(পর্ব-১)”
প্রোগ্রামিং এর জগতেঃ
   বন্ধুরা, আমরা সবাই মোটামুটি “কম্পিউটার প্রোগ্রামিং” শব্দটার সাথে পরিচিত। আমাদের দেশ এ একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণীতে তথ্য- প্রযুক্তি নামক যে সাবজেক্টটা আছে- তার প্রায় পুরটাই জুড়ে আছে সি- প্রোগ্রামিং।
   মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ অনেকগুলোই আছে- সি, সি++, জাভা, সি- শার্প,এইচ- টি-এম-এল, পাইথন, কোবরা ইত্যাদি। তবে ভয় পাবার কিছু নেই, একটা ল্যাঙ্গুয়েজ শিখলে সবগুলোই তোমার কাছে ডাল-ভাত মনে হবে। এদিক দিয়ে সি-প্রোগ্রামিং কে বলা হয় সকল প্রোগ্রামিং এর মা অর্থাৎ mother of all programming language.
 ওরে বাবা- কম্পিউটার প্রোগ্রামিং- খায় নাকি মাথায় দেয়?!?!?!?!
    কম্পিউটার প্রোগ্রামিংটা আমার কাছে মনে হয়, একটা ছোট্ট বাবুকে নতুন কোন ভাষা শেখাচ্ছি। সে ভাষা আগে  আমাকে রপ্ত করতে হবে তারপর ছোট্ট বাবুটাকে শেখাতে হবে।  সে ভাষা বাংলা নয়, ইংরেজি নয়, কম্পিউটার এর নিজস্ব ভাষা- মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ- সি প্রোগ্রামিং।
    কম্পিউটার নামের বাবুটা খুবই বিচক্ষণ- যা করতে বলবে, তাই করবে-যা লিখতে দেবে তাই লিখবে- যা করতে দেবে তাই করবে- যতক্ষণ পর্যন্ত তুমি না নিষেধ করবে।
   বাবুকে যেমন ফিডার দিয়ে দুধ খাওয়াতে হয়, কম্পিউটারকেও একটা সফটওয়্যার দিয়ে ভাষা শিখাতে হয়। এই সফটওয়্যারকে বলে- কম্পাইলার। আমি এখানে কম্পাইলার হিসেবে codeblocks ব্যবহার করেছি। ইচ্ছে করলে তুমি অন্য কম্পাইলারো ব্যবহার করতে পার।
কম্পিউটার- তুমি সত্যি বোঝ???????????
  আমরা আগে থেকেই পড়ে এসেছি- কম্পিউটার ০ আর ১ ছাড়া কিচ্ছু বোঝে না। কথাটা আসলেই সত্যি। তাহলে a,b,c,d… এইগুলা কম্পিউটার কেমনে বোঝে??? উত্তর হচ্ছে- a এর জন্যে কম্পিউটার বোঝে 65. সে 65 কে বাইনারি অর্থাৎ 0 এবং 1 এর দ্বারা একটা সংখ্যায় রূপান্তর করে ফেলে, তারপর তার মর্মোদ্ধার করে। আর এই কাজটাই করে কম্পাইলার নামের সফটওয়্যারটা। এক কথায়, কম্পাইলার মানুষ ও কম্পিউটার এর মধ্যে বন্ধুত্ব করে দেয়।

   কম্পাইলারে আমাদেরকে কিছু লেখা লিখতে হয়, আর পড়ে রান করতে হয়। তাহলেই আমরা পেয়ে যাই কাঙ্ক্ষিত .exe ফাইল। এটাকে তোমার তৈরি একটা ক্ষুদ্র সফটওয়্যার বলতে পার। এটাতে মাউস ডাবল ক্লিক করলে এটা এমনিতেই কাজ করবে। কম্পাইলারে আমাদেরকে কিছু লেখা লিখতে হয় তাকে বলে codes. আর যারা কোড করে তাদেরকে বলে কোডার। হ্যাঁ, তুমি আমি সবাই কোডার কিন্তু প্রোগ্রামার হওয়া কিন্তু এত্ত সোজা কথা নয়......

 “এসো পিরামিড বানাই, ইট-বালু-সিমেন্ট ছাড়াই(পর্ব-২)”

। প্রথম ধাপঃ


অউটপুটঃ
*****
****
***
**
*
#include<stdio.h>   // এটা হচ্ছে .h ফাইল অর্থাৎ হেডার ফাইল

                           এর নাম স্ট্যান্ডার্ড ইনপুট আউটপুট লাইব্রেরী
                            অর্থাৎ নীচে যা লিখবো তার সব কিছুই এই
                             লাইব্রেরী’র মধ্যে আছেমানে এ নিচের
                             সবার বাপ।

main()                           // এটা হচ্ছে মেইন ফাংশন। আমরা f(x)=3x+2 এই                            
                            রকমের অঙ্ক করেছিলাম তাতে f(পেট) f এর                   
                            পেটে যা ছিল,তাকেই পরিবর্তন করে ফেলত।
                           তদ্রূপ, main(){পেট} মেইন ফাংশন এর পেট এর
                           ভেতর যা থাকবে, তাই আউটপুট ফাইল এ
                          দেখাবে।
                                 
{
 int i,j;                        //ধরে নিলাম i এবং j দুটো ইনটেজার
                                 টাইপের ভেরিএবল(চলক)অর্থাৎ, i
                                                  এবং j হবে পূর্ণসংখ্যা ১,২,৩... ইত্যাদি
    for(i=1;i<=5;i++)         // for(condition){body} কে বলে ফর লুপ।
                               (condition) এর মধ্যে তুমি লিখবা
                               কখন পর্যন্ত লুপটা ঘুরবে আর
                               {body} এর মধ্যে তুমি লিখবা
                                                 প্রতিবার লুপ ঘুরে আউটপুট এ   কি কাজ
                               করবে  
                              //        এখানে   for(i=1;i<=5;i++)     
                                 মানে হচ্ছে i এর মান ১ থেকে শুরু কর; 
                                                  i এর মান শুধুমাত্র ৫ এর সমান বা ছোট     
                                                  হলেই কাজটা কর;
                                                  কাজ করা শেষ হলে প্রতিবার i এর মান ১
                                                    করে বাড়াও                          
{                               // এটা হচ্ছে বাইরের অর্থাৎ outer for লুপ         
                                                     এর শুরু
 for(j=5;j>=i;j--)                   // এটা হচ্ছে ভিতরের অর্থাৎ inner for লুপ         
                                                 এর শুরু
                              //        এখানে   for(j=5;j>=i;j--)     
                                 মানে হচ্ছে j এর মান ৫ থেকে শুরু কর;
                                                   j এর মান শুধুমাত্র i এর সমান বা বড়     
                                                  হলেই কাজটা কর;
                                                  কাজ করা শেষ হলে প্রতিবার j এর মান ১
                                                    করে কমাও                          

{
printf("* ");                //   এটার মানে হচ্ছে –
                           “কম্পিউটার বাবু, তুমি * কে একবার প্রিন্ট কর
 }

 printf("\n");              //   এটার মানে হচ্ছে –
                           “কম্পিউটার বাবু, তুমি নিচের লাইনে চলে যাও,
                            এই লাইনের কাজ শেষ”

}
}



আউটপুট আসবে এরকমঃ
* * * * *
* * *  *
* * *
**
*
এখন আস দেখি কম্পিউটার বাবু কিভাবে কাজ করেঃ
main(){পেট} মেইন ফাংশন এর পেট এর
  ভেতর যা থাকবে, তাই আউটপুট ফাইল এ  দেখাবে।
So,  look up at main() function
i এর মান 1; 1 ছোট 5 থেকে; তুমি {পেট} এর ভেতরের কাজ কর। তুমি inner for() loop এ ঢুকে যাও।
inner loop এর কাজঃ
(a)   j এর মান 5; 5 বড় i=1 থেকে; তুমি {পেট} এর ভেতরের কাজ কর;   তুমি * কে একবার প্রিন্ট কর ; j এর মান ১ কমাও। মানে j এর মান 4 কর;  আবার লুপ এ প্রবেশ কর।
(b)   j এর মান 4;     4 বড় i=1 থেকে; তুমি {পেট} এর ভেতরের কাজ কর।    তুমি * কে একবার প্রিন্ট কর
(c)    j এর মান 3;     3 বড় i=1 থেকে; তুমি {পেট} এর ভেতরের কাজ কর।    তুমি * কে একবার প্রিন্ট কর
(d)   j এর মান 2;     2 বড় i=1 থেকে; তুমি {পেট} এর ভেতরের কাজ কর।    তুমি * কে একবার প্রিন্ট কর
(e)   j এর মান 1;     1 সমান  i=1 থেকে; তুমি {পেট} এর ভেতরের কাজ কর।    তুমি * কে একবার প্রিন্ট কর
(f)    j এর মান 0;     1 বড়ও না, সমানও নাi=1 থেকে; তুমি {পেট} এর ভেতরের কাজ কর না।    তুমি inner loop থেকে বের হয়ে যাও 


কম্পিউটার বাবু, তুমি নিচের লাইনে চলে যাও(\n),  এই লাইনের কাজ শেষ
আউটপুট আসবে এরকমঃ
* * * * *
i এর মান 2; 2ছোট 5 থেকে; তুমি {পেট} এর ভেতরের কাজ কর। তুমি inner for() loop এ ঢুকে যাও।
আউটপুট আসবে এরকমঃ
* * * *
i এর মান 3; 3ছোট 5 থেকে; তুমি {পেট} এর ভেতরের কাজ কর। তুমি inner for() loop এ ঢুকে যাও।
আউটপুট আসবে এরকমঃ
* * * 
i এর মান 4; 4ছোট 5 থেকে; তুমি {পেট} এর ভেতরের কাজ কর। তুমি inner for() loop এ ঢুকে যাও।
আউটপুট আসবে এরকমঃ
* *  
i এর মান 5; 5ছোট না, তবে সমান  5 থেকে; তুমি {পেট} এর ভেতরের কাজ কর। তুমি inner for() loop এ ঢুকে যাও।
আউটপুট আসবে এরকমঃ
*
i এর মান 6; 6 ছোট না 5 থেকে; তুমি {পেট} এর ভেতরের কাজ কর না। তুমি outer for() লুপ থেকে বের হয়ে যাও।
আউটপুট আসবে এরকমঃ

* * * * *
* * *  *
* * *
**
*


 দ্বিতীয় ধাপঃ



#include<stdio.h>
#include<conio.h>
main()
{
int i,j;
for(i=1;i<=5;i++)
    {
      for(j=1;j<=i;j++) {printf("* ",j);}
      printf("\n");  }
আউটপুট আসবে এরকমঃ

*
* *
* * *
* * * *
* * * * *

তৃতীয় ধাপঃ  
#include<stdio.h>
main()
{ int i,j;
    for(i=1;i<=5;i++)
    {
        for(j=5;j>=i;j--) {printf(" ");}
        for(j=1;j<=i;j++) {printf("* ",j);}
        printf("\n");
    }
}





আউটপুট আসবে এরকমঃ


       *
     * *
    * * *
   * * * *
 * * * * * 


বিশ্বাস

-মুবিন।
-জি ভাই।
-দুনিয়ায় সবাইকে বিশ্বাস করতে নাই। বুঝলা?
- জি ভাই।
-আমি পৃথিবীতে অনলি দুইজন মেয়েকে বিশ্বাস করি।
-তাই ভাই? কে কে?
-আমার মা আর...
-আর ভাবি??
-নাহ। আমার বোন।
-কেন ভাই ভাবি কি করলো?
-বুঝবানা রে। বড় হও। তখন বুঝবা।
আমি কিছুক্ষন চিন্তা করি। তারপর মাথাটা হ্যাং মেরে যায়।
তারপর নিজের পড়ায় মনোযোগ দেই। IELTS Reading টার সাথে পেরে উঠতে পারছি না।
এটাকে আয়ত্ত করতে হবে। এতকিছু চিন্তা করার সময় নেই।

-মুবিন
-কাদিরাবাদ সেনানিবাস
১৬/০৩/২০১৮ 

Wednesday, November 22, 2017

An introduction to Numerical Techniques

An introduction to Numerical Techniques


Mathematics is an elegant and precise subject.  However when numerical answers are required one sometimes needs to rely on approximate methods to obtain useable answers.
There are many problems which simply do not have analytical solutions, or those whose exact solution is beyond our current state of knowledge. There are also many problems which are too long (or tedious) to solve by hand. When such problems arise we can exploit numerical analysis to reduce the problem to one involving a finite number of unknowns and use a computer to solve the resulting equations.
The text starts with a description of how we could perform some very basic calculations (that is, simply using the computer as a calculator). It then moves on to solving problems which cannot, in practice, be solved by hand.
Sometimes the solution of these problems can become as intricate and involved as the original problems and requires almost as much finesse and care to obtain a solution. There are several options available to us, both in terms of language and also overall approach.

Finding roots of non-linear equations

An standard equation, y=f(x)………………………(1)
Equation (1) may be of any kind of following equations:
1.     Algebraic Equation
2.    Polynomial equation
3.    Transcendental equations
Linear eqn: y=3x + 5
Non-linear equation: y= x^2 +1
                                 2x+3xy-25=0
Methods of solution:
1.     Direct methods
2.    Graphical methods
3.    Trial and error methods
4.    Iterative methods

Friday, November 17, 2017

কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ও বাইসাকেল রাইডিং| Computer Programming & Bicycling | MUBIN


আজকে হঠাৎ মোবাইলে একটি গেম খেলার সময় মনে হল আমরা কেন প্রোগ্রামিং শিখব সেটা নিয়ে কিছু লিখা যায়। মূলত যাদের প্রোগ্রামিং নিয়ে খুব সামান্য ধারণা আছে এবং যারা শিখতে চাও তাদের প্রোগ্রামিং সম্পর্কে আগ্রহী করে তোলার জন্যই এ লেখাটি।
এক কথায় প্রোগ্রামিং মানে হল প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার বানানো। আমরা কম্পিউটারে যা ব্যবহার করি সবই একেকটা প্রোগ্রাম। একটি নির্দিষ্ট ভাষা ব্যবহার করে এগুলো লেখা হয়। যে ভাষা ব্যবহার করে এগুলো লিখা হয় তাকে প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ বলে।
প্রোগ্রামিং শিখতে গেলে প্রথমে যেই প্রশ্নটা আসবে সেটা হল কেন আমরা প্রোগ্রামিং শিখব? উত্তর খুব সোজা! কম্পিউটারকে চালানোর জন্য প্রোগ্রামিং শিখব! তুমি হয়ত বলতে পার এই যে মিডিয়া প্লেয়ারে দুইটা ক্লিক করলেই গান চালু হয়ে যাচ্ছে অথবা মাউসের দুটো ক্লিকেই যে কোন গেমস আমি খেলতে পারছি কিন্তু প্রোগ্রামটা কোথায়?
কিন্তু সত্যি কথা হল কম্পিউটার একটা বোকা যন্ত্র। নিজে কিছু করার ক্ষমতা এর নেই। একে দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে হয়। তুমি চাইলে ১০০ মানুষের কাজ এই কম্পিউটার দিয়ে করিয়ে নিতে পার। আর করিয়ে নেওয়াটাই হল প্রোগ্রামিং। অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সেট করে দেওয়ার পরই তুমি যে কোন কাজ করতে পারছ। যেমন তুমি গান শুনতে পারছ, এনিমেশন বানাতে পারছ অথবা গেমস খেলতে পারছ। তাহলে কেমন হয় যদি তুমি নিজেই একটা প্রোগ্রাম বানিয়ে ফেলো? হতে পারে সেটা গেমস অথবা অন্য কিছু।
একটা কথা সহজেই বোঝা যাচ্ছে যে কম্পিউটারকে চালানো প্রোগ্রামিং ছাড়া অসম্ভব। তাছাড়া এটা অসম্ভব মজার একটি জিনিস। একবার তুমি করা শুরু করলেই বুঝতে পারবে। আমি একথা মোটামোটি নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি একবার তুমি প্রোগ্রামিং করা শুরু করলে হয়ত দেখা যাবে গেমস খেলার চেয়ে গেমস বানানোতেই তোমার আগ্রহ বেশি হয়ে যাচ্ছে।
আগেই বলে রাখি, ইহা একটি যাচ্ছেতাই মটিভেশনাল ভিডিও। আমার মত একেবারে বাচ্চা ছেলেদের জন্য। হাই-স্কুল-কলেজ লেভেলের পোলাপানদের জন্য। অবশ্যই এক্সপার্টাইজদের জন্য না। কম্পিউটার প্রোগ্রামিং কি? কেন? কিভাবে শুরু করব? এইটা দিয়ে কি করে? এইসব হাবিজাবি প্রশ্নের উত্তর হয়তোবা এই ভিডিওতে পেতে পারেন। আমার কোনো ভিডিওই intentionally বানানো না। তাই ব্যাকগ্রাউন্ড ignore করবেন।
ওহ, আমার পরিচয়টাই তো দিলাম না। আমার নাম মুবিন। পুরো নাম মোঃ মাহমুদুল হাসান মুবিন। কুয়েটে EEE তে পড়েছি।আর হ্যাঁ, আমার ইউটিউব চ্যানেলে subscribe বাটনে ক্লিক করতে ভুলবেন না কিন্তু!!
সবাইকে ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন সবসময়। 🙂
ধন্যবাদ।

Sunday, October 29, 2017

live it,love it.color it.....try to loose control of it

প্রিয়,মাঝে মাঝে আমরা অন্যের মাঝে নিজেকে খুজে পাই।প্রত্যেকটি প্রতিচ্ছবি নিজেকে আরও স্পষ্ট ভাবে চিনায়,আলো দেখায়।থ্যাংক ইউ,ইউ আর রাইট।দিন শেষে আমরা সবাই অনেক একা।বাট এভরিওয়ান নিড সামওয়ান।

তাই চলো,বের হই।বাইরের আলো খুব বেশি না হলেও অন্ধকারে পথ ঠিকই দেখাবে।ফুল হই,বৃষ্টি হই,মেঘ হয়ে হারিয়ে যাই।বাতাস হয়ে মেঘ পাড়ি দেই।বন্ধু হই...........................

live it,love it.color it.....try to loose control of it.
এই জীবনে কেউ জিতবে,কেউ হারবে।কেউ হারিয়ে যাবে।এটাই নিয়ম।আবার হয়তো বিকালে ছাদে কেউ একা কাঁদবে......কেউ হয়তো ভুলে জড়াবে এই শহরের ফাঁদে..........................