VideoBar

This content is not yet available over encrypted connections.

Wednesday, November 22, 2017

An introduction to Numerical Techniques

An introduction to Numerical Techniques


Mathematics is an elegant and precise subject.  However when numerical answers are required one sometimes needs to rely on approximate methods to obtain useable answers.
There are many problems which simply do not have analytical solutions, or those whose exact solution is beyond our current state of knowledge. There are also many problems which are too long (or tedious) to solve by hand. When such problems arise we can exploit numerical analysis to reduce the problem to one involving a finite number of unknowns and use a computer to solve the resulting equations.
The text starts with a description of how we could perform some very basic calculations (that is, simply using the computer as a calculator). It then moves on to solving problems which cannot, in practice, be solved by hand.
Sometimes the solution of these problems can become as intricate and involved as the original problems and requires almost as much finesse and care to obtain a solution. There are several options available to us, both in terms of language and also overall approach.

Finding roots of non-linear equations

An standard equation, y=f(x)………………………(1)
Equation (1) may be of any kind of following equations:
1.     Algebraic Equation
2.    Polynomial equation
3.    Transcendental equations
Linear eqn: y=3x + 5
Non-linear equation: y= x^2 +1
                                 2x+3xy-25=0
Methods of solution:
1.     Direct methods
2.    Graphical methods
3.    Trial and error methods
4.    Iterative methods

Friday, November 17, 2017

কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ও বাইসাকেল রাইডিং| Computer Programming & Bicycling | MUBIN


আজকে হঠাৎ মোবাইলে একটি গেম খেলার সময় মনে হল আমরা কেন প্রোগ্রামিং শিখব সেটা নিয়ে কিছু লিখা যায়। মূলত যাদের প্রোগ্রামিং নিয়ে খুব সামান্য ধারণা আছে এবং যারা শিখতে চাও তাদের প্রোগ্রামিং সম্পর্কে আগ্রহী করে তোলার জন্যই এ লেখাটি।
এক কথায় প্রোগ্রামিং মানে হল প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার বানানো। আমরা কম্পিউটারে যা ব্যবহার করি সবই একেকটা প্রোগ্রাম। একটি নির্দিষ্ট ভাষা ব্যবহার করে এগুলো লেখা হয়। যে ভাষা ব্যবহার করে এগুলো লিখা হয় তাকে প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ বলে।
প্রোগ্রামিং শিখতে গেলে প্রথমে যেই প্রশ্নটা আসবে সেটা হল কেন আমরা প্রোগ্রামিং শিখব? উত্তর খুব সোজা! কম্পিউটারকে চালানোর জন্য প্রোগ্রামিং শিখব! তুমি হয়ত বলতে পার এই যে মিডিয়া প্লেয়ারে দুইটা ক্লিক করলেই গান চালু হয়ে যাচ্ছে অথবা মাউসের দুটো ক্লিকেই যে কোন গেমস আমি খেলতে পারছি কিন্তু প্রোগ্রামটা কোথায়?
কিন্তু সত্যি কথা হল কম্পিউটার একটা বোকা যন্ত্র। নিজে কিছু করার ক্ষমতা এর নেই। একে দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে হয়। তুমি চাইলে ১০০ মানুষের কাজ এই কম্পিউটার দিয়ে করিয়ে নিতে পার। আর করিয়ে নেওয়াটাই হল প্রোগ্রামিং। অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সেট করে দেওয়ার পরই তুমি যে কোন কাজ করতে পারছ। যেমন তুমি গান শুনতে পারছ, এনিমেশন বানাতে পারছ অথবা গেমস খেলতে পারছ। তাহলে কেমন হয় যদি তুমি নিজেই একটা প্রোগ্রাম বানিয়ে ফেলো? হতে পারে সেটা গেমস অথবা অন্য কিছু।
একটা কথা সহজেই বোঝা যাচ্ছে যে কম্পিউটারকে চালানো প্রোগ্রামিং ছাড়া অসম্ভব। তাছাড়া এটা অসম্ভব মজার একটি জিনিস। একবার তুমি করা শুরু করলেই বুঝতে পারবে। আমি একথা মোটামোটি নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি একবার তুমি প্রোগ্রামিং করা শুরু করলে হয়ত দেখা যাবে গেমস খেলার চেয়ে গেমস বানানোতেই তোমার আগ্রহ বেশি হয়ে যাচ্ছে।
আগেই বলে রাখি, ইহা একটি যাচ্ছেতাই মটিভেশনাল ভিডিও। আমার মত একেবারে বাচ্চা ছেলেদের জন্য। হাই-স্কুল-কলেজ লেভেলের পোলাপানদের জন্য। অবশ্যই এক্সপার্টাইজদের জন্য না। কম্পিউটার প্রোগ্রামিং কি? কেন? কিভাবে শুরু করব? এইটা দিয়ে কি করে? এইসব হাবিজাবি প্রশ্নের উত্তর হয়তোবা এই ভিডিওতে পেতে পারেন। আমার কোনো ভিডিওই intentionally বানানো না। তাই ব্যাকগ্রাউন্ড ignore করবেন।
ওহ, আমার পরিচয়টাই তো দিলাম না। আমার নাম মুবিন। পুরো নাম মোঃ মাহমুদুল হাসান মুবিন। কুয়েটে EEE তে পড়েছি।আর হ্যাঁ, আমার ইউটিউব চ্যানেলে subscribe বাটনে ক্লিক করতে ভুলবেন না কিন্তু!!
সবাইকে ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন সবসময়। 🙂
ধন্যবাদ।

Sunday, October 29, 2017

live it,love it.color it.....try to loose control of it

প্রিয়,মাঝে মাঝে আমরা অন্যের মাঝে নিজেকে খুজে পাই।প্রত্যেকটি প্রতিচ্ছবি নিজেকে আরও স্পষ্ট ভাবে চিনায়,আলো দেখায়।থ্যাংক ইউ,ইউ আর রাইট।দিন শেষে আমরা সবাই অনেক একা।বাট এভরিওয়ান নিড সামওয়ান।

তাই চলো,বের হই।বাইরের আলো খুব বেশি না হলেও অন্ধকারে পথ ঠিকই দেখাবে।ফুল হই,বৃষ্টি হই,মেঘ হয়ে হারিয়ে যাই।বাতাস হয়ে মেঘ পাড়ি দেই।বন্ধু হই...........................

live it,love it.color it.....try to loose control of it.
এই জীবনে কেউ জিতবে,কেউ হারবে।কেউ হারিয়ে যাবে।এটাই নিয়ম।আবার হয়তো বিকালে ছাদে কেউ একা কাঁদবে......কেউ হয়তো ভুলে জড়াবে এই শহরের ফাঁদে..........................

Friday, July 28, 2017

Facebook about me 1

বড় হবার কোন ধরনের ইচ্ছাই আমার ছিল না।
এখনও নেই।
তবুও কেন জানি বড় হয়ে যাচ্ছি।
মাঝে মাঝে নিজের বয়সের হিসেবটা কষতে গিয়ে আঁতকে উঠি।
আরে, ঐ দিনই না আমি ছোট ছিলাম.. ঐ দিনই না হামাগুড়ি দিয়ে হাঁটতে শিখলাম। ঐ দিনই না প্রথম আম্মুর হাত ধরে গিয়েছিলাম স্কুলে..
অথচ আজ এই আমি মনের অজান্তেই এত বড় হয়ে গিয়েছি।  
প্রতি মুহূর্তে আমি অবাক হয়ে যাই- আমি বড় হয়ে যাচ্ছি...
সাথে সাথে অনেক দায়িত্ব চাপছে আমার ঘাড়ে...
আচ্ছা আমরা কি সবাই আমাদের অন্তিম পরিনতির দিকেই এগুচ্ছি? নাকি একটা একমুখী চক্রে আবর্তন করছি? যে চক্রের স্রষ্টা মহান আল্লাহ্ তাআলা..
আলাদিনের যাদুর চেরাগ যদি হাতে পেতাম, তাহলে তিনটা না , একটামাত্র জিনিসই চাইতাম--
"বড় যেন না হই আর,
  ছোটই থাকি আজীবন...
হাসি-ঠাট্টা-প্রাণ-চাঞ্চল্যে
  ভরে থাক মোর সারাজীবন"

****************
I have had no choice to grow old like a man, I always wanted to remain a child..
But alas! I 'm growing older unconsciously..
Sometimes I become surprised computing my own age myself..
I can easily remember the day I was a little boy..
the day I learnt to walk  by creeping..
the day I went to school grasping mamma's hand..
Surprise! I am growing older in every second..
Gradually responsibility on my shoulder gotta weighted..
I wish I hv ALADIN's magic lamp, I would pray-
"I don't wanna became a man..
no never..
I wanna remain a child forever.. "
Almighty Allah granted my prayer.. He made my mind childlike which won't grow old anymore..
no.. ever.. never..

Wednesday, July 12, 2017

হিমু নাম্বার টু ...

-হিমালয়।
-জি বাবা। আমি কি তোমাকে স্বপ্নে দেখছি?
-স্বপ্ন ছাড়া তোর সাথে আমার দেখা হয়েছে কখনো?
-না বাবা। আসলে সারাদিন ঘরের মধ্যে থাকি তো... কোনটা স্বপ্ন কোনটা বাস্তব ঠিক বুঝে উঠতে পারি না।
-ফালতু কথা বাদ দে। তুই সামনে বিপদের আছিস। তাই তোকে সতর্ক করতে আসছি।
-বাবা বলো।
-আমি তোর জন্য যে উপদেশনামা দিয়ে গিয়েছিলাম, তাতে একটা উপদেশ যোগ হবে।
-কি? 
-টোপ গেলা যাবে না, টোপ গেলা যাবে না, টোপ গেলা যাবে না।
-বাবা ঠিক বুঝলাম না।
-বুঝতে হবে না। ঘুম ভাঙলে ঠিকই বুঝতে পারবি।
-বাবা, তুমি জ্যাক স্প্যারো কে চেনো?
-না। হঠাৎ এই কথা কেন?
-পাইরেটস অব দ্যা ক্যারেবিয়ান। ক্যপ্টেইন স্প্যারো। ঘুরিয়ে পেচিয়ে কথা বলে। তোমার সাথে মিল দেখছি। ক্রস কু-রিলাসান ওয়ান হবে...
- লুলামি বাদ দে। আমাকে ইঞ্জিনিয়ারিং শেখাস না।  তুই রিসেন্টলি ছোটো একটা টোপ খেয়ে ফেলেছিস। ছোটো সাইজ টোপ। মিডিয়াম বা বড় সাইজ দিলে তোর বিপদ হতো। রিসেন্টলি এক মেয়ে তোকে কষ্ট দিয়েছে।
 ইগ্নোর কর। মেয়েদের থেকে দূরে থাকবি। আমার রিকুয়েস্ট। 
-তুমি কিভাবে জানলে বাবা?
-তুই টোপ গিলেছিলি বলে হয়েছে। ভাগ্যিস পুরাটা গিলিস নি। পুরাটা গিললে তোর আজীবন মহাপুরুষ হবার চান্স মিস হয়ে যেত।
-বাবা, রুপা আমাকে ছেড়ে চলে গেছে। কোনো কারণ ছাড়াই। আমি ওকে ফিরিয়ে আনতে চাই। উপায় বলো। তুমি উপায় জানো।   
-যে গেছে তাকে যেতে দে। ওকে ফিরিয়ে আনলে বিপদ হবে।
 খবরদার আবেগের ফাঁদে পা দিবি না। সরে আসবি। 
-বাবা তুমি জানো আমার মনের অবস্থা কি।
-মনের কথা শুনে পৃথিবী চলে না। পৃথিবী চলে উপরওয়ালার ইশারায়। তুই রুপাকে পাবি না। নিয়মিত নামাজ পরবি। ভণ্ডামি বাদ দে। 
-বাবা রুপা কোথায়?
-শামিম নামে এক ডাক্তার সাহেবের সাথে কাল ওর বিয়ে। আজ হলুদ হয়েছে। ছেলেটা অনেক ভালো। ওকে ভালো রাখবে। তোকে আজাইরা টেনশান নিতে হবে না। 
এরপর তোকে হয়তো অন্য একজন টোপ দেবে। তুই টোপ গিলবি না। কিন্তু সে রুপা না, অন্য কোনো মেয়ে।
-বাবা আমার এই রুপাকেই লাগবে। ওই টোপটা আমি আজীবন গিলতে চাই।
-হিমু, আমি যা বলছি তা শোন। তোকে মহাপুরুষ হতে হবে। মহাপুরুষদের কোন গার্লফ্রেন্ড থাকে না। এইটা তোর জীবনের বড় বাঁধা ছিলো। শুকরিয়া আদায় কর। এরপরও হয়তোবা তোর জীবনে মেয়ে আসবে। তার মাঝে হয়তো তুই আগের রুপাকে খুঁজে পাবি
কিন্তু সেও তোকে একইভাবে ছেড়ে চলে যাবে। 
মায়াজালে তোকে আবদ্ধ করার চেষ্টা করবে। কিন্তু তোকে মায়ার জালে পা রাখা যাবে না। তোকে মায়া থেকে বের হয়ে আসতে হবে।   
-বাবা। আমি মায়াজালের খুব কাছে থেকে ঘুরে এসেছি। আর ধারে কাছেও যেতে চাই না। আর হ্যা, আমি মহাপুরুষও হতে চাই না
-তোকে মহাপুরুষ হতে হবে না। তুই হিমু

লাফ দিয়ে উঠে পরি। পাশের ফ্ল্যাটের টিভির তীব্র আওয়াজে ঘুম ভাঙে আমার। দীর্ঘ ঘুমের ক্লান্তি। মনে হয় রিপ ভ্যান উইংকেল এর মতো দীর্ঘ ঘুম থেকে উঠলাম আমি। আচ্ছা, রিপ ভ্যান উইংকেল কি কখনো মায়ার ফাঁদে পা দিয়েছিলো? পড়ে দেখতে হবে।
ঘুমটা ভাঙতেই whatsapp টা uninstall করে দেই আমি। Facebook id টা ডিলিট করে দেই।

whatsapp  এ বিয়ের অনেকগুলা ছবি পাঠাবে রুপা। আমাকে বলবে- হিমু, বলো কোনটা বেশি সুন্দর? ওইটা pro pic বানাবো।

ও কোনো রিপ্লাই পাবে না। তারপর ফেইসবুকে খুঁজবে। ওখানেও পাবে না। তারপর বাধ্য হয়েই ওর হাসবেন্ডকে বলবে... ওর নিষ্পাপ হাসিতে শামিম সাহেবের আগের সব পাপ দূর হয়ে যাবে। চেম্বারের ব্যাবসায় উন্নতি হবে।

বিয়ের কার্ডটা ফকির নছিমন মিয়াকে দিয়ে দিয়েছি। ফ্যামিলি নিয়ে যাবে ও।  গার্ড ওকে প্রথমে ঢুকতে দেবে না। ও চিল্লাচিল্লি করবে। রুপা ওকে চিনবে। না  চেনার কোনো কারণ নেই। স্পেশাল বিয়ের কার্ড ছিল ওটা। শুধুমাত্র কালার ব্লাইণ্ডরাই ওই কার্ডের লিখা পড়তে পারবে। 


কেন জানি মনে হচ্ছে নছিমন মিয়াও কালার ব্লাইণ্ড। না হলেই বা কি?  ও নিজেই ম্যানেজ করে নেবে। আজকের দাওয়াতটা ফকির নছিমন মিয়া আজীবন মনে রাখবে। বলবে- হিমু বাই। আপনে মানুষ না। মানুষের থেকে উঁচু লেভেলের... পীর মুরিদ লেভেলের। মেয়েটা বড়ই সৌন্দর্য আছিলো... 
পৃথিবীর সব ছেলেই হিমু আর সব মেয়েই রুপা। 



হাঁটতে বের হবো আজ। আজকের রুটটা পুরানা পল্টনের সামনে দিয়ে হবে না রুপাদের বাসা ওখানে। আজ যাব সোজাসুজি গাজীপুরেরে দিকে।

খালি পায়ে রাস্তায় নেমে পরি আমি।  সামনের হিজাব পড়া মেয়েটাকে পেছন থেকে রুপা বলে মনে হচ্ছে এটা কি বিভ্রম? Hallucination?  আসলেই কি ও রুপা? হয়তোবা। অথবা না। 


আমি কেনো জানি মনে হচ্ছে মেয়েটার নাম রাই। রিপ ভ্যান উইংকেল তার প্রিয় ক্যারেকটার। সবুজ ওর প্রিয় কালার। আমার সাথে এই একটা জায়গায়ই হয়তো ওর মিল। কারন সবুজ ও দেখতে পায় না। হালকা লালকে সবুজ ভাবে। কখনও ডিপ সবুজকে লাল ভেবে ভুল করে। মানুষ অদ্ভুত- তাই না? যা পায় না তার প্রতি কত আগ্রহ? 

নাম ধরে ডেকে মেয়েটাকে ভড়কে দেবো? থাক। হিমুরা টোপ দিতে জানে না। তাদের টোপ গেলারও কোন পারমিশান নেই।
কড়া রোদ। সামনে নিজের ছায়াকে নিজেই চিনতে পারছি না। হঠাৎ কেন যেন মনে হল- আমার ছায়া আমার সাথে কথা বলছে- তুই কে? একা  কেন? সাথে কেউ নাই? 
ওকে ধমক দিলাম একটা। বললাম- আমি হিমু। হিমুদের একা থাকতে হয়। হিমুদের কেউ থাকে না... 

Tuesday, July 4, 2017

আমার এ ছন্নছাড়া অগোছালো জীবনধারা...

বড্ড রুটিনছাড়া হয়ে গেছি আমি। খুব অগোছালো। পড়াশুনা আগের মতো করি না। রুটিনবিহীন জীবন। খাই-দাই মুভি দেখি-ভার্সিটি যাই- ক্লাস নেই-ঘুমাই।
মাঝে মধ্যে খুব হতাশ লাগে নিজেকে। লাগাম বিহীন একটা ঘোড়া। অথবা নোঙর ছাড়া একটা জাহজ। নিজের DESTINY টাও ঠিকমতো জানি না।
মাঝেমধ্যে খুব একাকীত্বে ভুগি আমি। মনের কথাগুলো কাঊকে বলা হয় না। ফেইসবুকে অযথা স্ট্যাটাস দিয়ে টাইম কিল করি। হোয়াটসঅ্যাপে ঢুকে দেখি কে অনলাইনে। কাঊকে নক করা হয় না। হোয়াটসঅ্যাপটা uninstall করে দেই। নাহ থাক। কখনও কাজে লাগতেও পারে।
কখনো মনে হয় একটা গার্লফ্রেন্ড থাকলে মন্দ হতো না। অন্তত এই খারাপ লাগা ভাবটা থাকতো না।  পরক্ষণে ভাবি- নাহ।  বাবা-মার প্রতি এতটা অকৃতজ্ঞ হতে পারব না আমি।
বিকেলে বের হতে খুব ভয় পাই আমি। জুটি দেখা যায়। জুটি দেখতে আমার ভালো লাগে না। ইচ্ছা করে তিব্র বেগে একটা থাপড়ানি দিতে। পারি না। মাথা নিচু করে চলে যাই। 
মাঝেমধ্যে খুব বোকা মনে হয় নিজেকে। টানা কয়েকটা ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠাই। তারপর আবার ডিলিট করে দেই। রাগের চোটে কয়েকজনকে আনফোলো করে দেই। অথবা টানা কয়েকঘণ্টা মুভি দেখে নষ্ট করি। খুব AIMLESS মনে হয় নিজেকে। দেশ নাকি বিদেশ?
-বিদেশ? IELTS দাও। জার্নাল লিখো। Australia-Canada টার্গেট রাখো। অনেক টাকা আছে ওখানে। পারলে GRE দাও। প্রফেসর কন্টাক্ট করো। পার্মানেন্টলি থাকার চিন্তা করো। Australia তে সহজ। কানাডাতে? আরও বেশি।
-কিন্তু ফ্যামিলি? রিলেটিভ? ফিরে আসলে কিন্তু লাইফ শেষ। Decision নাও। এখনো সময় আছে।
-দেশে থাকবা? DPDC, DESCO, PDB, PGCB, Nuclear Plant। স্যালারি কত জানো? এক লাখ টাকা starting স্যালারি।
আর বি সি এস? বি সি এস পড়ো। অনেক ক্ষমতা। পুলিশের এ এস পি। অথবা এ ডি সি। অনেক পেনশন। সরকারি চাকরি সোনার হরিণ। সরকারি চাকরি ছাড়া কিন্তু ভাত নাই... বেসরকারি চাকরি?  মানুষে মেয়ে দিবে না। ৩০ বছর পর্যন্ত ট্রাই করো। না হইলে গো টু বিদেশ।
-হেহ... Engineering পইড়া মুরগীর মতো general Knowledge পড়বো? কখনও না।
দিনশেষে আবারো হতাশ হই আমি। চরম indecision এ ভুগি। IELTS এর বইগুলো ফেলে Thereja'র মেশিন ম্যাথ ধরি। বুঝতে পারি কোনো এক জায়গায় কিছু একটা ভুল হচ্ছে... IELTS-11 বইটা হাতে নেই। এনার্জি ল্যাম্পের উজ্জ্বল আলোয় আবছা হয়ে আসে দাঁতভাঙা ইংরেজি ওয়ার্ডগুলো...মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে যায় আমার।


মুবিন।
কাদিরাবাদ ক্যান্টনমেন্ট।
০৪-০৬-২০১৭
রাত। ১০।৪১ 

স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা -২




স্বপ্নটা আমি এখনো দেখি। শক্ত করে ধরে আছি তোমার হাত। হেঁটে যাচ্ছি গন্তব্যহীন কোনো উদ্দেশ্যে... অনন্তকাল ধরে। দৃষ্টি দূর বহুদূরে... দৃষ্টির সীমানারও বাইরে..